5G network security: new challenge for users and IT professionals

5G নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি ভোক্তা আর প্রযুক্তিবিদ'দের মাথা ব্যাথার নতুন কারন?
January 2, 2019
5G network security: new challenge for users and IT professionals


মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বিভিন্ন অংশে এরই মধ্যে ফাইভজির প্রচলন হয়েছে। ফাইভজি নেটওয়ার্কে বিনিয়োগের মাধ্যমে ইন্টারনেট অব থিংসের (সেলফোন, কম্পিউটারসহ বিভিন্ন ডিভাইস, যানবাহন ও ইলেকট্রনিক হোম অ্যাপ্লায়েন্স পণ্যের বৃহদায়তন নেটওয়ার্ক) এক বিশাল জগতের দুয়ার খুলতে যাচ্ছে টেলিকম অপারেটর প্রতিষ্ঠানগুলো। এতে গড়ে উঠবে ট্রাফিক সেন্সর থেকে শুরু করে ভেহিকল টু ইনফ্রাস্ট্রাকচার (ভিটুআই) সেবাকেন্দ্রিক বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন, যা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রযুক্তি কর্মকর্তাসহ ভোক্তাদের জন্য তৈরি করতে যাচ্ছে নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জ।


মার্কিন টেলিকম খাতের শীর্ষ উৎপাদনকারী ও সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন ফাইভজি আমেরিকার এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়, আইওটি ডিভাইস ও ফাইভজি নেটওয়ার্কের মূল্যবান তথ্যে আরো অবাধ প্রবেশাধিকার পাবে সাইবার হামলাকারীরা। এছাড়া ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়াল অব সার্ভিসেস (ডিডিওএস) হামলার মাধ্যমে সেবাদাতাদের আরো ব্যতিব্যস্ত করে তুলতে যাচ্ছে তারা।


বিপদ টের পাচ্ছেন শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি কর্মকর্তারাও। লন্ডনভিত্তিক প্রযুক্তি বিশ্লেষক ও উপদেষ্টা প্রতিষ্ঠান ওভামের এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের প্র্যাকটিস লিডার ডেভিড কেনেডি বলেন, ফোরজি নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা আর্কিটেকচার ফাইভজিতে এসে আরো শক্তিশালী হয় বটে, কিন্তু সামনের দিনগুলোয় ফাইভজি সেবাদাতাদের জন্য অনেক বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে।


কানাডার শীর্ষ টেলিকম প্রতিষ্ঠান টেলাসের প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা (সিটিও) ইব্রাহিম গিডিওন সম্প্রতি ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে একই আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ফাইভজি নেটওয়ার্কের নকশা পর্যায়েই নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরদার করে তোলার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।


বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান রিসার্চ অ্যান্ড মার্কেটসের ‘ফাইভজি সিকিউরিটি মার্কেট: টেকনোলজিস, সলিউশনস অ্যান্ড মার্কেট আউটলুক ২০১৮-২৩’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালের মধ্যে বৈশ্বিক ফাইভজি নিরাপত্তার বাজারের ব্যাপ্তি দাঁড়াবে ৭৫৩ কোটি ডলার। এর মধ্যে ৩০ শতাংশের বেশিতে অবদান রাখতে যাচ্ছে ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) সার্ভিস।


প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, এ সময় ফাইভজি নিরাপত্তার বাজারব্যাপ্তির দিক থেকে শীর্ষস্থানে থাকবে আমেরিকা অঞ্চল। এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের অবস্থান হবে এর ঠিক পরেই। ফাইভজি নেটওয়ার্কে নিরাপত্তার মতোই সমান গুরুত্ব পাবে অবকাঠামো, অ্যাপ ও তথ্য সংক্রান্ত বিষয়।


প্রাথমিকভাবে প্রধানত ব্রডব্যান্ডকেন্দ্রিকই থাকবে ফাইভজি। তথ্যমতে, ২০২৫ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী ফাইভজি ব্রডব্যান্ড সংযোগের পরিমাণ দাঁড়াবে ২২ কোটিতে। এক্ষেত্রে ফোরজি ব্রডব্যান্ডে যেখানে সর্বোচ্চ ডাটারেট ১ জিবিপিএস, ফাইভজি ব্রডব্যান্ডে এর পরিমাণ দাঁড়াবে ১০ জিবিপিএসে।


বিভিন্ন দেশে এখন নেটওয়ার্কের পরিসীমায় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে উন্নততর করার পাশাপাশি এর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আরো কার্যকর করে তোলার জন্য বিনিয়োগ করে চলেছে টেলিকম অপারেটর প্রতিষ্ঠানগুলো। এর পরও এসব প্রতিষ্ঠানের সিটিওরা মনে করছেন, ফাইভজিতে এখন যে গতিতে বিনিয়োগ করা হচ্ছে, তা নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ দূর করার জন্য যথেষ্ট নয়।


ইন্টারন্যাশনাল ডাটা গ্রুপের (আইডিজি) এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়, ফাইভজি ও ফাইভজি সংশ্লিষ্ট নেটওয়ার্ক অবকাঠামোর বাজার ২০১৮ সালে ছিল ৫২ কোটি ৮০ লাখ ডলার। ২০২২ সালের মধ্যে তা ২ হাজার ৬০০ কোটি ডলারে দাঁড়াবে। এ সময়ের মধ্যে বাজারটির বিস্তৃতি বাড়বে চক্রবৃদ্ধিতে ১১৮ শতাংশ হারে।


ফোরজি থেকে ফাইভজিতে রূপান্তরের কারণে নিত্যনতুন অপারেশনাল মডেল, নেটওয়ার্ক আর্কিটেকচার ও চ্যালেঞ্জের উদ্ভব ঘটবে। ধারণা করা হচ্ছে, ফাইভজি নেটওয়ার্কে ওয়াই-ফাই রাউটারের বদলে সরাসরি সংযুক্ত হওয়া আইওটি ডিভাইসের সংখ্যা সামনের দিনগুলোয় আরো বাড়বে। বাড়বে এসব আইওটি ডিভাইসের সাইবার হামলার সরাসরি শিকার হওয়ার ঝুঁকিও।     

(খবরঃ টেলিকম লিড অবলম্বনে)

 
TAGS : 5G , Nework , Security , 3G , 4G ,
Related News


 
comments powered by Disqus