3G licence pre-bid meet on 14 March

থ্রিজির নিলাম-পূর্ব বৈঠক ১৪ মার্চ
March 8, 2013
3G licence pre-bid meet on 14 March


বাণিজ্যিকভাবে থ্রিজি সেবাদানে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) নিলাম-পূর্ব আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে ১৪ মার্চ। এতে উপস্থিত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানিয়েছে বিটিআরসি। গতকাল বৃহস্পতিবার কমিশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


বিটিআরসির উপপরিচালক (লিগ্যাল অ্যান্ড লাইসেন্সিং) তারেক হাসান সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ হয়, ১৪ মার্চ বেলা ১১টায় বিটিআরসি কার্যালয়ে থ্রিজির নিলাম-পূর্ব বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলো সর্বোচ্চ পাঁচজন প্রতিনিধিসহ বৈঠকে অংশ নিতে পারবে।


এর মধ্যেই থ্রিজির বাণিজ্যিক সেবাদানে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রস্তাবনাসহ আবেদনপত্র আহ্বান করা হয়েছে। আগামী ১২ মের মধ্যে আবেদন জমা দিতে পারবে প্রতিষ্ঠানগুলো। আর আবেদনপত্র যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শেষে আগামী ১২ জুন অনুষ্ঠিত হবে নিলাম।


নিলাম-পূর্ব বৈঠকে প্রতিষ্ঠানগুলো এ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে জানার ও মতামত দেয়ার সুযোগ পাবে। পরে প্রতিষ্ঠানগুলোর আরো কোনো জিজ্ঞাসা থাকলে ২১ মার্চের মধ্যে জানাতে হবে। বিটিআরসি এসব জিজ্ঞাসার জবাব দেবে ২৮ মার্চ। নিলামে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে ২০ মে। প্রতিষ্ঠানগুলোকে ৩০ মের মধ্যে আর্নেস্ট মানি জমা দিতে হবে। বিটিআরসি ৫ জুনের মধ্যে যোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে চিঠি দিয়ে নিলামে অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করবে।


থ্রিজি সেবাদানে ২১০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে তরঙ্গ বরাদ্দ দেয়া হবে। ৫ মেগাহার্টজ করে মোট আটটি ব্লকে অনুষ্ঠিত হবে নিলাম। উন্মুক্ত পদ্ধতিতে এ নিলামের আয়োজন করবে বিটিআরসি। আর নিরবচ্ছিন্ন ও বহুমুখী সেবা নিশ্চিত করতে মোট পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স দেয়া হবে।


নীতিমালা অনুযায়ী, নিলামে অংশগ্রহণ করতে ভিত্তি মূল্য (বেজ প্রাইস) ধরা হয়েছে মেগাহার্টজপ্রতি ২ কোটি মার্কিন ডলার। আবেদনপত্র ফি ৫ লাখ এবং লাইসেন্স ফি ১০ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতি বছর লাইসেন্স নবায়নে ৫ কোটি টাকা করে ফি দিতে হবে প্রতিষ্ঠানগুলোকে।


নিলামে বিজয়ী প্রতিষ্ঠানকে মোট তরঙ্গ ফির ৬০ শতাংশ ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে জমা দিতে হবে। বাকি ৪০ শতাংশ দিতে হবে পরবর্তী ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে। ১৫ বছরের জন্য দেয়া হবে এ লাইসেন্স। পরবর্তী সময়ে প্রতি পাঁচ বছরের জন্য লাইসেন্স নবায়নের সুযোগ রাখা হয়েছে নীতিমালায়।


জানা গেছে, যেকোনো দেশী বা যৌথ বিনিয়োগ (দেশী বা বিদেশী) বা সম্পূর্ণ বিদেশী প্রতিষ্ঠান এ লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবে। তবে বিদেশী প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে শতভাগ বিদেশী বিনিয়োগ হতে হবে।


লাইসেন্স দেয়ার তিন বছরের মধ্যে দেশব্যাপী এ সেবা চালুর বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য। তিন ধাপে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে পারফরম্যান্স ব্যাংক গ্যারান্টি হিসেবে ১৫০ কোটি টাকা করে নেয়া হবে।


প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৮ মার্চ খসড়া নীতিমালা অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠায় বিটিআরসি। এ নীতিমালা চূড়ান্ত হওয়ার পর চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি বাণিজ্যিকভাবে থ্রিজি সেবা দিতে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের কাছে আবেদনপত্র আহ্বান করা হয়।

 
Related News


 
comments powered by Disqus